স্থগিতাদেশ ঘিরে দু’পক্ষের উত্তেজনা

নিউরন নাম নিয়ে দ্বন্দ্ব : হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ ঘিরে দু’পক্ষের উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউরন নাম ব্যবহার করে নার্সিং কোচিং পরিচালনা এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্যের অভিযোগে খুলনায় দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।

নিউরন নার্সিং কোচিং সেন্টার পাবলিকেশন খুলনার পরিচালক এইচ এম কালিম বলেন, একটি মহল তাদের প্রতিষ্ঠানের ‘নিউরন’ নাম ব্যবহার করে কোচিং ব্যবসা পরিচালনা করছে। তারা তাদের ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। তিনি জানান, এ সংক্রান্ত রাজশাহীর আদালতের একটি আদেশের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে সিভিল রিভিশন নং- ৩৭৯৫/২০২৬ মামলায় রাজশাহী কমার্শিয়াল কোর্টের ১৪ সেপ্টেম্বর আদেশের কার্যকারিতা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিচারপতি মোঃ সোহরাওয়ার্দী এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে প্রতিপক্ষের প্রতি কারণ দর্শানোর রুল জারি করে চার সপ্তাহের মধ্যে তা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে খুলনার পিটিআই মোড় এলাকায় একটি ভবনে পরিচালিত নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিংয়ের কার্যক্রম নিয়ে আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রাজু মণ্ডল বলেন, আদালতে তাদের পক্ষে রায় দেওয়া হয়েছে। একই নামে দুটি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিং সেন্টারের পরিচালক দাবি করে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে রাজশাহী বাণিজ্যিক জজ আদালতে একই নামে নিউরন নার্সিং ভর্তি কোচিং সেন্টারের পরিচালক মোঃ জহিরুল ইসলামকে বিবাদী করে মামলা করেন।

শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আগামী ৫ অক্টোবর তারিখ নির্ধারণ করেন। পরে ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে জহিরুল ইসলাম হাইকোর্টে আবেদন করলে হাইকোর্ট রাজশাহী কমার্শিয়াল কোর্টের আদেশের কার্যকারিতা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। একই সঙ্গে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরোধে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। একাধিক শিক্ষার্থী দ্রুত বিষয়টির আইনগত সমাধান এবং নির্বিঘ্নে কোচিং কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন